c444k কীভাবে শুরু হয়েছিল
২০২২ সালের মাঝামাঝি সময়ে একদল তরুণ প্রযুক্তি উদ্যোক্তা একটা সহজ প্রশ্নের উত্তর খুঁজছিলেন — বাংলাদেশের মানুষ কেন একটা নিরাপদ, দ্রুত এবং বাংলায় পরিচালিত অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম পাচ্ছেন না? বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশের পেমেন্ট সিস্টেম ঠিকমতো সমর্থন করে না — বিকাশ বা নগদে ডিপোজিট করতে গেলে ভোগান্তি, ইন্টারফেস ইংরেজিতে, সাপোর্টে বাংলায় কথা বলার কোনো সুবিধা নেই। এই সমস্যাগুলো সমাধান করার লক্ষ্যে জন্ম নিয়েছিল c444k।
শুরুতে দলটা ছোট ছিল — মাত্র ১৫ জন। কিন্তু লক্ষ্য ছিল স্পষ্ট। বাংলাদেশের মানুষের কথা মাথায় রেখে একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যেখানে বিকাশে মাত্র ৳১০০ ডিপোজিট করেও শুরু করা যাবে, বাংলায় সাপোর্ট পাওয়া যাবে এবং জয়ের টাকা মিনিটেই হাতে পাওয়া যাবে। প্রথম বছরেই c444k-তে ৫০,০০০ এর বেশি সদস্য যোগ দিয়েছিলেন — এই সাড়া আমাদের আরও বড় স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রাণিত করেছে।
আমাদের মিশন কী
c444k-এর মিশন সহজ — বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ যেন নিরাপদে, আনন্দের সাথে এবং দায়িত্বশীলভাবে অনলাইন বেটিং উপভোগ করতে পারেন। আমরা শুধু একটি ব্যবসা চালাচ্ছি না — আমরা বিশ্বাস করি বাংলাদেশের ডিজিটাল বিনোদন খাতকে সৎ, স্বচ্ছ এবং প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত করার একটা সুযোগ আমাদের হাতে আছে।
আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে সদস্যরা থাকেন। নতুন কোনো ফিচার যোগ করার আগে আমরা সদস্যদের মতামত নিই। পেমেন্ট সিস্টেমে কোনো সমস্যা হলে আমাদের টিম রাত ৩টায়ও জেগে সেটা ঠিক করে। এটাই c444k-এর সংস্কৃতি।
বাংলাদেশকে কেন্দ্রে রাখি আমরা
c444k-এর ইন্টারফেস পুরোটাই বাংলায় — মেনু, বেটিং স্লিপ, পেমেন্ট প্রক্রিয়া, সাপোর্ট সব কিছু। ঢাকার বাইরে রংপুর, বরিশাল, সিলেট, চট্টগ্রামের মানুষরাও যেন কোনো অসুবিধা ছাড়া c444k ব্যবহার করতে পারেন সেটা নিশ্চিত করতে আমাদের QA টিম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নেটওয়ার্কে নিয়মিত পরীক্ষা চালায়।
বাংলাদেশের দুটো সবচেয়ে বড় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা — বিকাশ ও নগদ — এবং রকেটের সাথে c444k-এর সরাসরি ইন্টিগ্রেশন রয়েছে। ইন্টারনেট ব্যাংকিং বা ডেবিট কার্ড না থাকলেও শুধু মোবাইল নম্বর থেকেই সম্পূর্ণ লেনদেন করা যায়। এই সুবিধাটা বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের কাছে c444k-কে আলাদাভাবে প্রাসঙ্গিক করে তোলে।